সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে তরিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিবসহ চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শামচুজ্জোহা শাহানশাহ।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুল মান্নান, তাঁর ভাই রায়গঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হীরা মিয়া, সলঙ্গা থানার বোয়ালিয়ার চর এলাকার মাজেম আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম ও জেছারত আলীর ছেলে আব্দুল মজিদ। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আব্দুল মজিদ ইতোমধ্যে মারা গেছেন।
এপিপি শামচুজ্জোহা শাহানশাহ জানান, মামলায় মোট ১৪ জন আসামি ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। অপর ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০০৯ সালের ৩০ আগস্ট তরিকুল ইসলামকে মারধর করে হত্যা করা হয়। তিনি সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুল মন্নাফ বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে রায়গঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। দীর্ঘ সময় ধরে মামলার সাক্ষ্য ও প্রমাণ গ্রহণের পর শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার আদালত চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন এবং অপর ১০ আসামিকে খালাস দেন।
মন্তব্য করুন