রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ২ নম্বর সোনাখাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন রেজওয়ান ওয়াসিফ রনি তালুকদার। তিনি রায়গঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
রনি তালুকদার শ্রীরামপুর গ্রামের সম্ভান্ত্র মুসলিম পরিবারের সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান তালুকদারের ছেলে। তাঁর দাদা মরহুম মিজানুর রহমান তালুকদার রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাবেক সোনাখাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সোনাখাড়া ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। রনি তালুকদার রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হওয়ায় কারণে দীর্ঘদিনের রাজনীতির অভিজ্ঞতা থাকার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথা উল্লেখ করেন। এবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। তার নির্বাচনী লক্ষ্য, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য নিয়ে ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রনি তালুকদার জানান, সোনাখাড়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার লক্ষ্যেই তিনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান। ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও ওয়ার্ডের মানুষের সমস্যা, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যাশা তার।
তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে রয়েছি। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা জানার চেষ্টা করেছি। সোনাখাড়া ইউনিয়নের মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা থেকেই এবার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। জনগণের সমর্থন ও ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচিত হতে পারলে ইউনিয়নের উন্নয়ন এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকভাবে কাজ করব।”
এমন পরিস্থিতিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়ে নিজের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরছেন রেজওয়ান ওয়াসিফ রনি তালুকদার। তার নির্বাচনী অঙ্গীকার, রাজনৈতিক অবস্থান এবং জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম আগামী দিনে সোনাখাড়া ইউনিয়নের নির্বাচনী আলোচনায় কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে তার সাংগঠনিক তৎপরতা ও স্থানীয় মানুষের সমর্থন।
তিনি মনে করেন, একটি ইউনিয়নের প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, বরং নাগরিক সেবা সহজ করা, সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনা এবং ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ