শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ সোহেল রানা। তিনি একজন শিক্ষিত তরুণ, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজে মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। স্থানীয়দের সঙ্গে মিলেমিশে চলা, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো এবং সবার সঙ্গে অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক আচরণের কারণে এলাকায় তাঁর একটি পরিচিতি তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি মানুষের চলাচলের একটি ভাঙা রাস্তার দুরবস্থা দেখে সেখানে নিজেই হাতে তুলে নেন কোদাল। শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তার মাটি কাটার কাজে অংশ নেন তিনি। মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ কমাতে নিজের শ্রম দিয়ে রাস্তা সংস্কারের এমন উদ্যোগ স্থানীয়দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড ও মানুষের কল্যাণমূলক কাজে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর সহজ-সরল ব্যবহার, মানুষের সঙ্গে মিশে চলার মানসিকতা এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে সহযোগিতার কারণে অনেকেই তাঁকে পছন্দ করেন। বিশেষ করে তরুণ সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিষয়টিও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচিত হচ্ছে।
মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ সোহেল রানা বলেন, “আমি মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। এলাকার মানুষের সমস্যা ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই উন্নয়নমূলক কাজ করতে চাই। বিশেষ করে যুব সমাজকে ভালো ও গঠনমূলক কাজে সম্পৃক্ত করে এলাকার সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার ইচ্ছা রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে এলাকার মানুষের মতামত ও প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে চান। রাস্তা-ঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, সামাজিক কর্মকাণ্ডে মানুষের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং যুব সমাজকে ইতিবাচক ও উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত করার বিষয়গুলো তাঁর পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে বলে তিনি জানান।
সোহেল রানার বক্তব্য অনুযায়ী, জনপ্রতিনিধিত্ব তাঁর কাছে শুধু একটি পদ নয়; বরং এটি মানুষের সেবা করার একটি সুযোগ। এলাকার মানুষের সিদ্ধান্ত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে একটি সুন্দর, উন্নত ও সামাজিকভাবে সমৃদ্ধ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যেই তিনি কাজ করতে চান।
এলাকার মানুষের প্রত্যাশা, যেই ব্যক্তি জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পান না কেন, তিনি যেন দল-মত ও ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের প্রয়োজন, এলাকার উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেন।