রায়গঞ্জে অজ্ঞান পার্টির দুই ইরানি যুবককে গণধোলাই

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে অজ্ঞান পার্টি সন্দেহে দুই ইরানি যুবককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।রোববার (২৫ মে) দুপুরে সলঙ্গা থানার ভূঁইয়াগাতি হাইস্কুল রোডের ভৌমিক মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।আটক দুই ইরানি নাগরিক হলেন আস্কান (২৯) ও হুসাইন (৩৩)।স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই দুই ইরানি যুবক টাকা ভাঙানোর কথা বলে ভৌমিক মার্কেটের ফিডের দোকানে প্রবেশ করে। এ সময় টাকার সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে ফিডের দোকানদার আব্দুল বাবুকে অজ্ঞান করে। এতে বিদেশিরা যা বলছিল, বাবু ঠিক তাই করছিল।একপর্যায়ে বাবু তার দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে বেশ কিছু টাকা তাদের হাতে দেয়। বিদেশিদের পকেটে সেগুলো রাখার সময় কিছু টাকা পড়ে যায়। এ বিষয়টি একই মার্কেটের জুয়েলার্সের মালিক বিচিত্র কুমার দাসের নজরে আসে। পরে তিনি মার্কেটে অজ্ঞান পার্টি ঢুকেছে বলে চিৎকার দেন। এতে আশপাশে থাকা প্রায় শতাধিক লোক জড়ো হয়ে তাদের গণধোলাই দেয়। সলঙ্গা থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

রায়গঞ্জে অজ্ঞান পার্টির দুই ইরানি যুবককে গণধোলাই

Update Time : ০৬:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে অজ্ঞান পার্টি সন্দেহে দুই ইরানি যুবককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।রোববার (২৫ মে) দুপুরে সলঙ্গা থানার ভূঁইয়াগাতি হাইস্কুল রোডের ভৌমিক মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।আটক দুই ইরানি নাগরিক হলেন আস্কান (২৯) ও হুসাইন (৩৩)।স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই দুই ইরানি যুবক টাকা ভাঙানোর কথা বলে ভৌমিক মার্কেটের ফিডের দোকানে প্রবেশ করে। এ সময় টাকার সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে ফিডের দোকানদার আব্দুল বাবুকে অজ্ঞান করে। এতে বিদেশিরা যা বলছিল, বাবু ঠিক তাই করছিল।একপর্যায়ে বাবু তার দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে বেশ কিছু টাকা তাদের হাতে দেয়। বিদেশিদের পকেটে সেগুলো রাখার সময় কিছু টাকা পড়ে যায়। এ বিষয়টি একই মার্কেটের জুয়েলার্সের মালিক বিচিত্র কুমার দাসের নজরে আসে। পরে তিনি মার্কেটে অজ্ঞান পার্টি ঢুকেছে বলে চিৎকার দেন। এতে আশপাশে থাকা প্রায় শতাধিক লোক জড়ো হয়ে তাদের গণধোলাই দেয়। সলঙ্গা থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।